কাঠ বাদাম ভিটামিন এবং মিনারেলে ভরপুর তাছাড়া কাঠ বাদামে আছে ডায়েট ফাইবার ও পুষ্টিগুণে ভরপুর কাঠবাদামে মধ্যে রয়েছে ভিটামিন , ক্যালসিয়াম, ফসফরাস, জিংক, কপার, সেলেনিয়াম, আয়রন ম্যাগনেসিয়াম এতে  রয়েছে প্রচুর পরিমানে ভিটামিন বি, , ডি এবং উপকারী ফ্যাট প্রতি ১০০ গ্রাম কাঠবাদামে রয়েছেএনার্জি ৫৭৮ কিলোক্যালরি, কার্বোহাইড্রেট ২০ গ্রাম, আঁশ ১২ গ্রাম, ফ্যাট ৫১ গ্রাম, প্রোটিন ২২ গ্রাম, থায়ামিন .২৪ মিলিগ্রাম, রাইবোফ্লেভিন . মিলিগ্রাম, নিয়াসিন মিলিগ্রাম, প্যান্টোথেনিক অ্যাসিড . মিলিগ্রাম, ভিটামিন বি৬ .১৩ মিলিগ্রাম, ভিটামিন ২৬.২২ মিলিগ্রাম, ক্যালসিয়াম ২৪৮ মিলিগ্রাম, আয়রন মিলিগ্রাম, ম্যাগনেসিয়াম ২৭৫ মিলিগ্রাম, ফসফরাস ৪৭৪ মিলিগ্রাম, পটাশিয়াম ৭২৮ মিলিগ্রাম মনোআনস্যাচুরেটেড পলিআনস্যাচুরেটেড অয়েল, জিঙ্ক, ফলিক অ্যাসিড প্রচুর পরিমাণে অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট 

কাঠ বাদামের উপকারিতা


সূচি

কাঠবাদামের উপকারিতাঃ প্রতিদিন কাঠবাদাম খেলে কী হয়?

কাঠ বাদামের উপকারিতা পুষ্টিগুণ

কাঠ বাদামের উপকারিতা, পুষ্টিগুন খাওয়ার নিয়ম

প্রদাহ কমায়

এনার্জি বৃদ্ধি করে

ত্বকের যত্নে কাঠবাদাম

চুলের যত্নে কাঠ বাদাম

কাঠ বাদামের উপকারিতা

কাঠ বাদামের পুষ্টিগুণ

কাঠ বাদাম কি ধরণের বাদাম?

রক্তের সুগার নিয়ন্ত্রনে কাঠবাদাম

ভিটামিন- এর উৎস হিসাবে কাঠবাদাম

কাঠ বাদাম খাওয়ার নিয়ম

দৈনিক কতটুকু কাঠ বাদাম খাওয়া উচিত?

কাঠবাদামের উপকারিতাঃ প্রতিদিন কাঠবাদাম খেলে কী হয় ?

বাদাম খাদ্য পিরামিডের একটি প্রধান অংশ। এগুলিতে প্রোটিন বেশি থাকে এবং ফাইবার এবং বি ভিটামিনের মতো প্রয়োজনীয় পুষ্টি সরবরাহ করে। অন্যান্য উচ্চ-কার্বোহাইড্রেট খাবারের তুলনায় তাদের কম গ্লাইসেমিক সূচক রয়েছে, তাই তারা রক্তে শর্করার মাত্রা স্থিতিশীল রাখতে সহায়তা করে। এবং তারা স্যাচুরেটেড ফ্যাট তুলনামূলকভাবে কম। এর স্বাস্থ্য উপকারিতা বাড়ানোর জন্য এগুলি আপনার ডায়েটে যোগ করা যেতে পারে। বাদাম ভিটামিন ই এবং ফাইবারের একটি বড় উৎস। 

কাঠ বাদামের উপকারিতা পুষ্টিগুণ

পুষ্টিগুণে ভরপুর এই বাদাম কোষ্ঠকাঠিন্য দূর করে, শ্বাসতন্ত্রের সমস্যা কমায়, হৃদরোগের ঝুঁকি কমায়, রক্তস্বল্পতা দূর করে। এটি চুল ত্বকের জন্য ভালো। কাঠবাদামের রয়েছে অগণিত উপকারিতা

প্রতিদিন একমুঠো কাঠবাদাম খেলে এই উপকারগুলো পেতে সাহায্য করবে আপনাকে। চিকিৎসকরা বলেন, এক বাটি পানিতে কাঠবাদামকে রাতভর ভিজিয়ে রাখলে উপরের বাদামি খোসাটি খুব সহজে বেরিয়ে আসে। খোসা বেরিয়ে আসার পর সাদা বাদামটিকে এক সপ্তাহ রেখে খেতে পারবেন। খোসা ছাড়ানো অবস্থায় খেলে কাঠবাদাম অনেক বেশি কার্যকরী হয়ে ওঠে

কাঠ বাদাম খাওয়ার নিয়ম

খোসা-সহ নাকি ছাড়া কাঠবাদাম খেতে হবে?এটা খোসা-সহ খেতে হবে। কারণ এতে আছে বহুমুখী গুণাগুণ। এটা পলিফেনলের ভালো উৎস এবং প্রাকৃতিক আঁশ সমৃদ্ধ। কিন্তু খাদ্য  পুষ্টিবিষয়ক একটি ওয়েবসাইটে এই বিষয়ের উপর প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে জানানো হয়খোসা ছাড়িয়ে খান। কারণ খোসাযুক্ত কাঠবাদাম থেকে মিলবে না সঠিক পুষ্টি। কাঠবাদামের বাদামি খোসায় থাকে ট্যানিন নামের উপাদানযা শরীরে পুষ্টি শোষণে বাধা দেয়। আর ভেজানো কাঠবাদাম লাইপেজ নামের এনজাইম নিঃসরণ করে যা হজমে সহায়কবিশেষ করে চর্বি হজমে সাহায্য করে।ভেজানো কাঠবাদামের খোসা ছাড়িয়ে খেলে মিলবে আরও নানান উপকার। এই দুটি মতামতের যেটি আপনার ভাল লাগে সেটি অনুসরণ করুন। 

প্রয়োজনীয় উপাদান শোষণ:

কাঠবাদাম শরীরে পর্যাপ্ত পরিমাণ ফ্যাটের জোগান দেয়। ফলে ভিটামিন -এর মতো প্রয়োজনীয় ফ্যাট সলিউবল ভিটামিন শোষিত হয় শরীরের পিএইচ মাত্রা বজায় থাকে

বয়স বৃদ্ধি রোধ করে

অ্যান্টিঅক্সিডেন্টে সমৃদ্ধ হওয়ায় ভেজা কাঠবাদাম ফ্রি র‍্যাডিকেলের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে এবং বয়স হওয়া প্রতিরোধ করে

হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি করে: কাঠবাদাম ভিজিয়ে খেলে হজম ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়। মূলত কাঠ বাদামের গায়ে যে খোসা থাকে, তা তৈরি হয় এক ধরণের উৎসেচক দিয়ে। তাই যখন কাঠ বাদাম ভেজানো হয়, তখন এর ভেতরের আদ্রতার জন্য বাদামের খোসা নরম হয়ে যায়। একইসঙ্গে মূল বাদামের অংশটিও বেশ নরম হয়ে যায়। এমন বাদাম খেলে খাবার খুব সহজে হজম হয়ে যায়। আসলে ভেজানো কাঠ বাদামে এক ধরণের উৎসেচক থাকে, যা লিপেস নামে পরিচিত। এটি খাবারে থাকা ফ্যাট এবং অন্যান্য জটিল উপাদান সহজে হজম করতে সাহায্য করে

কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করে: যারা কোষ্ঠকাঠিন্যের কারণে খুব কষ্ট পান, তাদের পানিতে ভেজানো কাঠবাদাম খাওয়া উচিত। কারণ কাঠবাদামে থাকে প্রচুর পরিমাণে আঁশ। অন্যান্য আঁশযুক্ত খাবারের মতো কাঠবাদামও কোষ্ঠকাঠিন্যের সমস্যা দূর করতে সাহায্য করে। তবে কাঠবাদাম খাওয়ার সাথে প্রচুর পরিমাণ পানি পান করতে হবে। যেন বাদাম ভালোভাবে পরিপাক হতে পারে তার উপকারী প্রভাব বিস্তার করতে পারে। একবারে খুব বেশি কাঠবাদাম খাওয়ার প্রয়োজন নেই। প্রতিদিন - টি কাঠবাদাম খাওয়াই যথেষ্ট

 হার্টের জন্য ভালো

ভেজানো বাদামে হার্ট ভাল থাকে। কারণ হল কাঠবাদামে প্রচুর পরিমাণে প্রোটিন, পটাশিয়াম, ম্যাগনেসিয়াম প্রভতি উপকারি উপাদান থাকে, যা হার্টের কর্মক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর মধ্যে থাকা ভিটামিন- হৃদরোগের ঝুঁকি কমায় এবং  ম্যাগনেসিয়াম হার্ট অ্যাটাক প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি অ্যার্টারিকে ক্ষতিকর প্রদাহের হাত থেকে সুরক্ষা দেয়। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিন কাঠবাদাম খেলে হৃদযন্ত্র ভালো থাকে। এক গবেষণায় দেখা গেছে, সপ্তাহে পাঁচবার বাদাম খেলে ৫০ শতাংশ হার্ট অ্যাটাকের ঝুঁকি কমে। 

এনার্জি বৃদ্ধি করে

পুষ্টিকর এই বাদামে রয়েছে ম্যানগানিজ, কপার রিবোফ্লাভিন। যা মেটাবলিজমের হার বাড়ায় এবং এনার্জি বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। কাজের ব্যস্ততায় যদি ক্লান্তিভাব কাজ করে তবে এক মুঠো (-৬টি) কাঠবাদাম খেয়ে নিতে হবে। এটি বিপাক প্রক্রিয়া ভালোভাবে হতেও সাহায্য করে

ব্রেইনের কার্যক্ষমতা বাড়ে:

কাঠবাদামের পুষ্টিগুণ মস্তিষ্কের স্বাস্থ্যকে ভালো রাখতে সাহায্য করে। এই বাদামে থাকে মগজের জন্য প্রয়োজনীয় দুইটি পুষ্টিগুণ- রিবোফ্লাভিন এল-ক্যারনিটিন। এই উপাদান দুইটি মগজের কার্যক্ষমতা বৃদ্ধি করে। এটি স্মৃতিভ্রম রোগ প্রতিরোধে সাহায্য করে। প্রতিদিন - টি কাঠবাদাম ভিজিয়ে খেলে মস্তিষ্কের কাজের উন্নতি ঘটে। শরীরের জন্য প্রয়োজনীয় উপকারি ফ্যাটের উৎস হিসাবে কাঠবাদাম বিশেষ ভূমিকা রাখে। বাড়ন্ত শিশুদের বুদ্ধির বিকাশের জন্য কাঠবাদাম অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ একটি খাবার। এছাড়া বৃদ্ধদের আলঝেইমার হবার সম্ভবনাও কমায়। গবেষণায় দেখা গেছে প্রতিদিনের খাদ্যাভাসে কাঠবাদাম অথবা আমন্ড অয়েল রাখার ফলে স্বাস্থ্য ভালো থাকার পাশাপাশি নার্ভাস সিস্টেমের উপরেও ইতিবাচক প্রভাব তৈরি হয়

গর্ভাবস্থায় খাওয়া উচিত: গর্ভাবস্থায় জলে ভেজানো কাঠবাদাম খেলে তা সন্তান এবং মা-দুজনের শরীরই ভাল রাখে। আলমন্ডে প্রচুর ফলিক এসিড রয়েছে। এই উপাদানটি নবজাতকের জন্ম সমস্যা হ্রাসে সহায়ক। শিশুর যেকোন ধরনের জন্মগত ত্রুটি প্রতিরোধের জন্য এটি অত্যাবশ্যকীয়। এটি টিস্যু গঠন কোষ বৃদ্ধিতে সহায়তা করে। ফলে এই বাদাম মা এবং গর্ভস্থ সন্তানের স্বাস্থ্য রক্ষা করতে পারে

হাড় দাঁত ভালো রাখে

কাঠবাদামে থাকা ফসফরাস, মিনারেল ভিটামিন হাড় দাঁতকে সুরক্ষা দেয়। ফসফরসার কেবল হাড় দাঁতকে মজবুত করে না, এটি অস্টিওপরোসিস বা  হাড় ক্ষয় রোগ প্রতিরোধেও সাহায্য করে। হাড় দাঁতের সুসাস্থ্য স্থায়িত্বের ওপর ফসফরাসের প্রভাব রয়েছে অনেকখানি। বয়সজনিত হাড় দাঁতের সমস্যা তৈরি হওয়ার হাত থেকে রক্ষা করতেও ফসফরাস কার্যকরি

রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়ায়

অ্যালকেলাইন সমৃদ্ধ খাবার হওয়ায় রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করে। এর মধ্যে রয়েছে ভিটামিন-; রয়েছে অনেক শক্তিশালী অ্যান্টিঅক্সিডেন্ট। এগুলো বিভিন্ন ধরনের রোগের হাত থেকে দেহকে সুরক্ষা দেয়। যেমন : ক্যানসার এবং ফুসফুসের রোগ ইত্যাদি থেকে সুরক্ষা দেয়

উচ্চ রক্তচাপ নিয়ন্ত্রণ করে

উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা তাহলে অবশ্যই কাঠবাদাম খান। এর কারণ হল, কাঠবাদামের মধ্যে খুব কম পরিমাণে সোডিয়াম থাকে এবং বেশি মাত্রায় থাকে পটাশিয়াম, যা উচ্চ রক্তচাপের সমস্যা নিবারণে সাহায্য করে। এছাড়া, কাঠবাদামের ভেতরে উপস্থিত ম্যাগনেসিয়াম এবং ফলিক অ্যাসিড রক্ত জমাট বাধার সম্ভাবনা দূর করে

ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে

ভেজা কাঠবাদামে ভিটামিন বি ১৭ থাকে যা ক্যান্সারের বিরুদ্ধে যুদ্ধ করতে সাহায্য করে। ক্যান্সার রোগীরা প্রতিদিন কাঠবাদাম খেতে পারেন। কাঠবাদাম কোলোন ক্যানসার প্রতিরোধে সাহায্য করে। এটি কোলনকে ভালো রাখতেও কাজ করে

ডায়াবেটিস প্রতিরোধ করে:

খাওয়ার পর রক্তে গ্লুকোজ ইনসুলিনের মাত্রা বেড়ে যাওয়া প্রতিরোধ করে কাঠবাদাম। যার ফলে অতিরিক্ত চিনিযুক্ত কোন খাবার খাওয়ার পর কাঠবাদাম খেলে রক্তে চিনির প্রভাব দেখা দেয় না। কাঠবাদাম গ্লুকোজের প্রক্রিয়া শোষণকে নিয়ন্ত্রিত করে

ত্বকের যত্নে কাঠবাদাম:

ত্বকের যত্নে আমন্ড অয়েল ব্যবহারের পরামর্শ দিয়ে থাকেন। সাধারণ হিসেব অনুযায়ী কাঠবাদাম খাওয়ার ফলে ত্বকের উপকার হয় একদম ভেতর থেকেই। ফলে অল্প বয়সে বলীরেখা দেখা দেয় না এবং ত্বকের উজ্জ্বলতা বৃদ্ধি পায় প্রাকৃতিকভাবে। প্রতিদিন কাঠবাদাম খেলে অথবা মুখে লাগালে ত্বক থাকে চির নতুন। সেই সঙ্গে ভেজানো কাঠবাদাম বেঁটে যদি মুখে মাখা যায়, তাহলে তা প্রাকৃতিক ক্রিমের মতো কাজ করে। এছাড়াও, ত্বক যদি শুষ্ক হয়, সেই সমস্যা দূর করতেও সাহায্য করে কাঠবাদাম। এক্ষেত্রে কিছুটা ফেটানো ক্রিম, বেঁটে রাখা কাঠবাদামের সঙ্গে মিশিয়ে মাখতে হবে

প্রদাহ কমায়

ফ্যাটি অ্যাসিড শরীরের জন্য খুবই উপকারী প্রয়োজনীয়। যেহেতু শরীর ফ্যাটি অ্যাসিড তৈরি করতে পারে না, বিভিন্ন প্রাকৃতিক খাদ্য উপাদান থেকেই তাকে ফ্যাটি অ্যাসিড সংগ্রহ করতে হয়। কাঠবাদামে থাকে দুইটি গুরুত্বপূর্ণ ফ্যাটি অ্যাসিডলিনোলিয়েক (Linoleic)  লিনোলিয়েক অ্যাসিড। এই ফ্যাটি অ্যাসিড সমূহ শরীরের প্রদাব কমাতে কাজ করে

পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা বৃদ্ধি:

বিশেষজ্ঞ জানিয়েছেন, দৈনিক মাত্র ৭টি কাঠবাদাম খেলে পুরুষদের শুক্রাণুর পরিমাণ এবং গুণগতমান উভয়ই বাড়বে। তুরিনের এক হাসপাতালে ১০০ জনের ওপর জরিপ চালানো হয়। জরিপে প্রমাণিত হয় দৈনিক মাত্র ৭টি কাঠবাদামে বা যে কোনো বাদাম পুরুষের প্রজনন ক্ষমতা নিশ্চিতভাবে বাড়বে

কোলেস্টেরলের মাত্রা সঠিক রাখে: খারাপ কোলেস্টেরলের মাত্রা কমানো ভালো কোলেস্টেরলের মাত্রা বৃদ্ধি করার মাধ্যমে কাঠবাদাম হৃদপিন্ডকে সুস্থ থাকতে সাহায্য করে। একটি রিসার্চ দেখা গিয়েছে যারা প্রতিদিন টি করে কাঠবাদাম খেয়েছে তাদের কোলেস্টেরল .% কমেছে এবং যারা প্রতিদিন দুটি করে খেয়েছে তাদের কমেছে .%

ওজন নিয়ন্ত্রণে রাখে: পানিতে ভেজানো কাঠবাদাম নিয়মিত খেলে ওজন খুব তাড়াতাড়ি কমে। কারণ এর মধ্যে প্রচুর পরিমাণে মনো স্যাচুরেটেড ফ্যাট থাকে। ফলে কয়েকটি কাঠবাদাম খেলেই পেট অনেকক্ষণ ভরা থাকে এবং অতিরিক্ত খাওয়ার ইচ্ছা থেকে বিরত থাকা যায়। আর কম খেলে যে ওজন কমবেই, তা নিশ্চয় আর আলাদা করে বলে দিতে হবে না! তাছাড়া কাঠবাদাম খেলে পেটের মেদও কমে

রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণ করে- কাঠবাদাম রক্তের চিনির মাত্রা নিয়ন্ত্রণে সাহায্য করে

মাথার চুলের মহৌষধ :
আলমন্ডে পর্যাপ্ত ভিটামিন-ডি ম্যাগনেসিয়াম থাকে বলে এটি বিভিন্ন কসমেটিকে ব্যবহৃত হয়। দেহে ম্যাগনেসিয়ামের অভাবে চুল পড়ে যায়। আলমন্ডকে চুলের জন্য মহা উপকারী মনে করা হয়। মাথার খুলি আর্দ্র রাখতে এবং চুলের সৌন্দর্য বাড়াতে চুল পড়া রোধে সপ্তাহে অন্তত একবার আলমন্ডের তেল ব্যবহার করা যেতে পারে। মাথার ত্বকে আলমন্ডের তেল ম্যাসাজ করলে ত্বকের রক্ত সঞ্চালন বৃদ্ধি পায়। চুল সুন্দর, সিল্কী মজবুত হয়

চুলের যত্নে কাঠবাদাম

এর তেলে রয়েছে চুল বান্ধব মনো ফ্যাটি অ্যাসিড, তার সাথে ভিটামিন , ডি, , বি১, বি২ এবং বি৬। যা চুলকে পুষ্টি দেয়, চুল গোড়া শক্ত করে। ফ্যাটি অ্যাসিড চুল কে সফট, সোজা এবং সিল্কি করে

কাঠবাদামে রয়েছে উচ্চ পরিমাণের ফসফরাস। যেটি ভালো চুল গজাতে সাহায্য করে। তাছাড়া চুল পড়ে প্রধানত ফসফরাস এর অভাবে। নিয়মিত কাঠ বাদাম খেলে ফসফরাসের অভাব মিটবে

যাদের স্কাল্পে খুসকির সমস্যা আছে, তারা কাঠ বাদাম তেল + নিম তেল মিশিয়ে চুলে লাগান। সারারাত রেখে দিন। সকালে উঠে শ্যাম্পু করে ফেলুন। আশা করি খুশকির সমস্যা চলে যাবে

কাঠবাদাম তেল, মেথি গুঁড়া, ক্যাস্টর অয়েল, নারিকেল তেল মিশিয়ে চুলে লাগালে চুল এর আগা শক্ত হবে, চুল পড়া কমবে, চুল তাড়াতাড়ি বাড়বে

সকালের ভেজানো কাঠবাদাম: ভিটামিন খনিজে ভরা কাঠবাদাম। পানিতে ভেজালে পুষ্টিগুণ বেড়ে যায়। দীর্ঘক্ষণ না খেয়ে থাকার পর -১০টি কাঠবাদাম খাওয়া যায়। কাঠবাদাম পানিতে ভিজিয়ে রাখুন আট ঘণ্টার মতো। সকালে এটি পুষ্টি জোগানোর পাশাপাশি সারা দিন রুচি বাড়ায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, কাঠবাদামের বাদামি আবরণে ট্যানিন নামের উপাদান থাকে, যা পুষ্টি শোষণ করে। কাঠবাদাম ভেজানো হলে খোসা সহজে খুলে যায় এবং সহজে পুষ্টি বের হয়

কাঠবাদামের অপকারিতা:

. কাঠবাদাম খাওয়ার ফলে গ্যাস, অ্যাসিডিটির সমস্যা দেখা যায়।
. অধিক কাঠবাদাম খাওয়ার ফলে ওজন বৃদ্ধি পায়।
. শরীরে অনেক সময় টক্সিকের পরিমাণ বেড়ে যায়।
. যাদের অ্যালার্জির সমস্যা রয়েছে কাঠবাদাম গ্রহণের ফলে তা বেড়ে যেতে পারে

Post a Comment

Previous Post Next Post